• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকারি ফি পরিশোধের পরও সেবা মে কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে নারী বন্দি উধাও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত, তদন্তে নেমেছে কারা কর্তৃপক্ষ জার্মানির বিদায়ে অক্ষুণ্ণ থাকল ব্রাজিলের পাঁচ শিরোপার রেকর্ড। গাজীপুরে শ্রমিক মৃত্যুর জেরে ফের উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেডে আহত অন্তত ১২। কালিয়াকৈরে গ্যাসের অভিযানে দুই ব্যক্তিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা । আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার, গাজীপুরসহ ৬ জেলায় সেনা নামছে ।  গাজীপুর মহানগর যুবলীগের মিছিল, পুলিশকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক স্লোগানের অভিযোগ। বয়লার বিস্ফোরণে জ্বলল তেল কারখানা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল বড় দুর্ঘটনা । জুমার নামাজে দানের আড়ালে জাল টাকার কারবার! মসজিদে হাতেনাতে আটক, উদ্ধার ৭ জাল নোট ঢাকার যানজট ভাঙতে ‘মাস্টারস্ট্রোক’, সরছে তিন বাস টার্মিনাল

সরকারি ফি পরিশোধের পরও সেবা মে

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৮ Time View
Update : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

সরকারি নিয়মে আবেদন, নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং ব্যাংকে অর্থ জমা দেওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে উল্টো ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর বিরুদ্ধে। বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তর ও ট্রান্সফরমার পরিবর্তনের কাজ করতে গিয়ে এক গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সমিতির মহাব্যবস্থাপকের (জিএম) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর জোনাল অফিসের আওতাধীন সারদাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা তারিকুল ইসলাম বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেন। আবেদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর সমীক্ষা ও আবেদন ফিসহ ভ্যাট বাবদ এক হাজার ৭২৫ টাকা কাশিমপুর জোনাল অফিসে রশিদের মাধ্যমে জমা দেন।
পরবর্তীতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও বিভিন্ন দপ্তরে ঘোরাঘুরির পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করে কাজের জন্য আট হাজার ৬২৪ টাকার বাজেট নির্ধারণ করে। সেই অনুযায়ী ২০২৫ সালের ৩ মার্চ পূবালী ব্যাংকের কাশিমপুর শাখায় গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর অনুকূলে নির্ধারিত অর্থ জমা দেন তিনি।
কিন্তু ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পরও কাজ শুরু হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ২৫/৪৫২ নম্বর লটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম শহীদ কাজ শুরুর আগে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই টাকা না দিলে কাজ করা হবে না বলেও জানিয়ে দেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, একটি খুঁটি থেকে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পাশের ব্যবহৃত খুঁটিতে স্থানান্তর এবং একটি ট্রান্সফরমার পরিবর্তনের কাজের জন্য সরকারি নিয়মে সব অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরে আবার অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগীর কাছে সংরক্ষিত একটি কল রেকর্ডে অভিযুক্ত ঠিকাদারকে বলতে শোনা যায়, “২০-২২ হাজার টাকা লাগবে। ব্যাংকে যা জমা দিয়েছেন, সেটা অফিসের বিষয়। আমার কাজের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। এখন তিন হাজার টাকা দেন, বাকিটা দুই-এক দিনের মধ্যে দেবেন। তারপর কাজ শুরু করব। এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করে দেব।”
একই কল রেকর্ডে তিনি আরও বলেন, “এই ২০ হাজার টাকা আমি একা খাব না। আগে টাকা না দিলে কাজ হবে না।”
এ ঘটনায় গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মহাব্যবস্থাপকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী তারিকুল ইসলাম।
স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, “সরকারি সেবা পেতে যদি নিয়ম মেনে সব অর্থ পরিশোধ করার পরও অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ কোথায়?”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার শহীদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ইউসুফ আলী বলেন, “গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি বা ঘুষ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd